১। আমাদের কথাঃ- ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে চট্টগ্রাম জেলাধীন সাতকানিয়া উপজেলার অর্ন্তগত অপূর্ব লীলা নিকেতন, সুশোভিত, সবুজের সমারোহে সজ্জিত অত্র এলাকায় শিার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মানসে তৎকালীন চট্টগ্রাম বিভাগের বিদ্যালয় পরিদর্শক মহোদয়ের ১৫/১১/১৯১২ইং তারিখের পরিদর্শনকালীন রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যায় পূর্বে বিদ্যালয়টি ছিল একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯০৭ ইং সালে স্বর্গীয় ছত্র নারায়ন চৌধূরী মহোদয়ের তিন ছেলে গৌর সুন্দর চৌধুরী, কৃষ্ণ মোহন চৌধুরী ও রাম রতন চৌধুরী মহোদয়গণ তাদের মাতা সুবর্ণময়ী চৌধুরী মহোদয়ার নাম অনুসারে সর্ব প্রথম সুবর্ণময়ী মাইনর স্কুল হিসেবে ব্যক্তিগত ভাবে রাম রতন চৌধুরী মহোদয় ৫০০/- টাকা ও স্থানীয় বিদোৎসাহী ব্যক্তিবর্গ থেকে আদায়কৃত ৬০০/- টাকা চাঁদা সহ সর্বমোট ১,১০০/- টাকায় অত্র বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। সম্মানিত পরিদর্শক মহোদয়ের রিপোট অনুযায়ী তৎকালীন সর্বমোট ছাত্র ছাত্রী ছিল ৯৪ জন। তার মধ্যে ০৮ জন মুসলিম, ১০ জন বৌদ্ধ, বাকী ছাত্র ছাত্রী ছিল হিন্দু।
২। লক্ষ্য ও উদ্যেশ্য: নিভৃত পল্লী এলাকায় সমাজে শিা আলো বিতরণের মাধ্যমে জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুন্দর সমাজ বিনির্মানে সহায়তা করা।
৩। প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস ঃ- চট্টগ্রাম জেলাধীন সাতকানিয়া উপজেলার অর্ন্তগত ঢেমশা একটি সমৃদ্ধ জনপদ। এই গ্রামে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ সহ প্রায় ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার) লোকের বসবাস। গ্রামের একমাত্র শিা প্রতিষ্ঠান ঢেমশা উচ্চ বিদ্যালয়। সাতকানিয়া সদর উপজেলা হতে ৪ কিলোমিটার উত্তরে এবং কেরানীহাট আরাকান সড়ক হতে ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে চৌধুরী হাট সংলগ্ন ১৯০৭ ইং সনে সুবর্ণময়ী মাইনর স্কুল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হলেও সময়ের আবর্তনে যুগের চাহিদা মোতাবেক ১৯৪৪ইং সনে অত্র বিদ্যালয়টি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত করার পেছনে যাদের অবদান অবিস্মরণীয় তারা হলেন স্বর্গীয় সুরেশ চন্দ্র চৌধুরী, শম্ভু নাথ চৌধুরী, চৈতন্য চরণ চৌধুরী, রাম কুমার চৌধুরী, বরদা রঞ্জন চৌধুরী, হৃদয় রঞ্জন চৌধুরী, অন্নদা চৌধুরী, ললিত মোহন চৌধুরী, এ্যাডভোকেট যতীন্দ্র মোহন চৌধুরী, মনিন্দ্র লাল চৌধুরী, মরহুম মুন্সী আবদুচ সালাম, নাছিম মাষ্টার সহ নাম অজানা অনেকে। বিদ্যালয় হতে সর্ব প্রথম এস, এস, সি পরীা দেওয়ার সুযোগ অর্জন করে ১৯৪৬ইং সন হতে। এর পর হতে প্রতি বছর শিার্থীর এস, এস, সি ও ২০১০ ইং হতে অনুষ্ঠেয় জে, এস, সি পরীায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের স্বার রেখে যাচ্ছে।
৪। প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি ঃ-
বিদ্যালয়ের নাম : ঢেমশা উচ্চ বিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠার তারিখ : ০১/০১/১৯০৭ইং (মাইনর) নিু মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ের জমির পরিমাণঃ ২.০৪ একর
মূল ভবনের এলাকা : ০.৮৫ একর
প্রথম স্বীকৃতির তারিখ : মাধ্যমিক হিসাবে ৩০/১২/১৯৪৬ কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়,
স্মারক নং ২৬৮০ পি,ও ১৪৫৩
প্রথম এম.পি.ও ভূক্তির তারিখ ঃ ০১/০৭/১৯৮৪
স্বীকৃতি প্রাপ্ত পঠিত কোর্স ঃ মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা
৫। দাতা সদস্যদের তালিকাঃ-
১। জনাব মরহুম আলহাজ্ব আবদুল মজিদ কোম্পানী, দঃ ঢেমশা, কেরানী হাট, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম। (আজীবন)
২। জনাব আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম বি এস সি, সানোয়ারা কর্পোরেশন , চট্টগ্রাম। (আজীবন)
৩। জনাব আলহাজ্ব আবুল বশর (আবু), আই এম এস গ্র“প , সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম। (আজীবন)
৪। জনাব এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইলিয়াছ, দঃ ঢেমশা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম। (আজীবন)
৫। জনাব ডাক্তার এম এ কাশেম, মরফলা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।(আজীবন)
৬। জনাব ডাক্তার এ, এস, এম, মোস্তাক আহমদ মরফলা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।(আজীবন)
৭। জনাব আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দীন, ইছামতি আলী নগর, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।(আজীবন)
৮। জনাব আলহাজ্ব মোঃ আবু তাহের, গাটিয়াডেঙ্গা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম। (আজীবন)
৯। জনাব মোহাম্মদ নুরুল আলম , গাটিয়াডেঙ্গা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।(আজীবন)
১০। জনাব হাজী সিরাজুল ইসলাম, পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
১১। জনাব মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, ওয়েষ্টান মেরিন শিপ ইয়ার্ড
১২। জনাব মোঃ আবুল আলম, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, এহেছান গ্র“প অপ ইন্ডাষ্ট্রী
১৩। জনাব এফ করিম, রাজা এন্টারপ্রাইজ, শেখ মুজিব রোড, চট্টগ্রাম।
১৪। বাবু লায়ন কেমি বড়–য়া, মুক্তারানা চৌধুরী হাইটস্, চট্টগ্রাম।
১৫। জনাবা ডা: শিরিন আক্তার খানম, মরফলা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।
১৬। জনাব মোঃ রাশেদ, কাতালগঞ্জ, চট্টগ্রাম।
১৭। জনাব ছাবের আহমদ, উত্তর ঢেমশা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।
১৮। জনাব মোহাম্মদ ইউসুফ, উত্তর ঢেমশা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।
৬। পরিচালনা কমিটির তথ্য :
১। জনাব আবু সুফিয়ান সভাপতি বি কম অনার্স, এম কম
২। জনাব ডঃ দীপক কান্তি চৌধুরী সদস্য এম এপ্রতিষ্ঠাতা
৩। জনাব ডাক্তার এ, এস, এম, মোস্তাক আহমদ সদস্য এম বি বি এস, এফ সি পি এস দাতা
৪। জনাব ফরিদুল আলম সদস্য অষ্টম অভিভাবক
৫। জনাব শ্যামল সেন সদস্য বি এ, এল.এল.বি অভিভাবক
৬। জনাব আবুল খায়ের সদস্য এস.এস.সি অভিভাবক
৭। জনাব আহমদ কবির মুন্সী সদস্য দশম অভিভাবক
৮। জনাবা নাছিমা আকতার সদস্য নবম মহিলা অভিভাবক
৯। জনাব রণজিৎ কুমার বড়–য়াশিক প্রতিনিধি বি.এসসি, বি-এড শিক
১০। জনাব আবুল ফজল শিক প্রতিনিধি এইচ এস সি শিক
১১। জনাবা অঞ্জু রাণী নন্দী মহিলা শিক প্রতিনিধি বি এ, বি-এডশিক
১২। জনাব নুরুল আমিন শিানুরাগী সদস্য এস এস সি
১৩। জনাব দয়াল হরি মজুমদার প্রধান শিক/ সদস্য সচিব বি এস সি, বি-এড
শিক্ষক-শিক্ষিকা:
১। জনাব দয়াল হরি মজুমদার বি.এসসি, বি-এড প্রধান শিক্ষক
২। জনাব তরুন কান্তি ধর বি এ, বি-এডসিনিয়র শিক্ষক
৩। বোধিরতন বড়–য়া বি এ,বি এড, বিনয় সুত্ত সিনিয়র শিক্ষক
৪। জনাবা অঞ্জুশ্রী হোড় বি এস এস বি এড, সিনিয়র শিক্ষক
৫। জনাব সুকান্ত বিকাশ ধর বি এ বি পি এড সিনিয়র শিক্ষক
৬। জনাবা অনজু রাণী নন্দী বি এ বি এডসিনিয়র শিক্ষক
৭। জনাবা নিপু রাণী দাশবি এ বি এড সিনিয়র শিক্ষক
৮। জনাব রনজিত কুমার বড়–য়াবি এস সি বি এড, সিনিয়র শিক্ষক
৯। জনাব মোঃ জসীম উদ্দিন বি এস সি, এম -এড, সিনিয়র শিক্ষক
১০। জনাবা শামীমা আকতার বি এস এস বি এড সিনিয়র শিক্ষক
১১। জনাব সুমন রায় বি কম বি এড সিনিয়র শিক
১২ জনাব আবুল ফজল এইচ এস সি জুনিয়র শিক
১৩। জনাব কানু রাম চক্রবর্তী এস এস সি কাব্যতীর্থজুনিয়র শিক
কর্মচারী বৃন্দ:
১। জনাব অমল কান্তি দেবি কমঅফিস সহকারী
২। জনাব রণধীর দাশ দশম ল্যাব পিয়ন
৩। জনাব অরুণ কুমার মালী ৪র্থ শ্রেণী এম এল এস এস
নীতিমালা:
(প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা এবং আইন-কানুন সম্পর্কিত তথ্য)
ক) ১লা জানুয়ারী থেকে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত শি বৎসরএ হলভঠ ১০.০০ মিনিট থেকে বিদ্যালয়ের কর্মকান্ড আরম্ভ হয় এবং বিকাল ৪.১৫ মিনিটে শেষ হয়।
খ) ভর্তির জন্য ছাড়পত্রসহ নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হয় এবং ভর্তি পরীার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী বাছাই ও ভর্তি করা হয়।
গ) জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বাধ্যতামূলক প্রাত্যহিক সমাবেশে নিয়মিত উপস্থিত থাকা প্রত্যেক ছাত্রীর নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। প্রাত্যহিক সমাবেশ আরম্ভ হওয়ার ১৫ মিনিট পূর্বে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে।
ঘ) প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে মাসিক কর্ম দিবসের শতকরা ৮০ দিন বিদ্যালয়ে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে।
ঙ) ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা নিরূপনের জন্য বৎসরে অনুষ্টিত পরীাগুলোর গড় ফলাফল বিবেচনা করা হয়।
চ) প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ের আইন শৃঙ্খলা মেনে চলতে হয়, প্রত্যহ ডায়েরী নিয়ে আসতে হয় এবং সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ইউনিফর্ম পরিধান করতে হয়। শ্রেণি পাঠ ও বাড়ির কাজ আদায় বাধ্যতামূলক।
ছ) বিদ্যালয়ে সহপাঠক্রমিক কার্যাবলীর রীতিমত অনুশীলনের ব্যবস্থা আছে। সহপাঠক্রমিক কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে পরীরচর্চা, সংগীত, খেলাধূলা, আবৃত্তি, বিতর্ক, বক্তৃতা, বাগান করা ও ড্রয়িং। বিদ্যালয়ে অনুষ্টিতব্য যাবতীয় সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি, খেলাধূলা ও শরীরচর্চায় নিয়মিত অংশ গ্রহণ করতে হয়।
জ) শিকের অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয় ত্যাগ, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে লেখা, মেঝে বা দেয়ালে থু-থু ফেলা, অশ্লীল উক্তি করা ও বারান্দায় দৌড়াদৌড়ি কথা শাস্তি যোগ্য অপরাধ।
ঝ) প্রতি বছর বাজেট প্রণয়ন পূর্বক সে মোতাবেক আয়-ব্যয় নির্বাহ করা হয়।
ঞ) প্রনিত পঞ্চবার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা মোতাবেক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সময় সময় বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও অন্যান্য সহ পাঠক্রমিক বিভিন্ন কার্যাবলী সম্পন্ন করা হয়।
১০। সভাপতির বক্তব্য :::::::::::::::::::::::::::::::::
প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য:
বলা হয়ে থাকে, মরুভূমির বুকে শহর গড়ার চেয়েও কঠিন কাজ একটি
মানুষকে সত্যিকার মানুষ করা। এই কঠিন গুরুদায়িত্বটা সুন্দরভাবে
সম্পন্ন করার ওপর নির্ভর করে কোনো শিা প্রতিষ্ঠানের সার্থকতা।
সেটা ১৯০৭ সাল। এলাকার কিছু বিদ্যোৎসাহীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়
ঢেমশায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি শিশু পাঠশালা। নাম সুবর্ণময়ী মাইনর স্কুল।
জানা যায়, ছত্রনারায়ণ চৌধুরীর তিন পুত্র গৌরসুন্দর চৌধুরী, কৃঞ্চমোহন চৌধুরী
ও রাম রতন চৌধুরী মহোদয়গণ তাঁদের স্বর্গীয় মায়ের নামে এ স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৪৪ সালে এ প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে। শুরু থেকে এ
পর্যন্ত বহু মহৎপ্রাণ মানুষ এ বিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে সামনে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছেন।
তাঁদের সকলের অবদান আমি বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।
প্রদীপ যেমন নিঃশেষে আলো বিলিয়ে যায়, তেমনি প্রতিটি সমাজেই এমন কিছু মানুষ থাকেন যাঁরা ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে উঠে সমাজকে আলোকিত করার জন্য সারাজীবন সচেষ্ট থাকেন। এমনই কয়েকজন প্রাতঃস্বরণীয় শিকের অসামান্য কীর্তিতে উজ্জ্বল ঢেমশা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাস। শিকতা যে কোনো একটা সাধারণ পেশা নয়, এটা যে সমাজকে জ্ঞানালোকে উদ্ভাসিত করার, মননশীল ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের একটা মহান ব্রত- এ দৃষ্টান্ত তাঁরা আমাদের জন্য রেখে গেছেন। আমরা তাঁদের দেখানো পথ ধরেই ঢেমশা উচ্চ বিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে চাই।
বর্তমান সময়টাকে এক অর্থে বলা যায় বিজ্ঞাপনের যুগ। আমরা জানি, বিজ্ঞাপন মানুষকে যেমন সচেতন করে, তেমনি আবার বিভ্রান্তও করে। শিােেত্রও আমরা এ বিভ্রান্তি দেখি। শিার বাণিজ্যিকীকরণ হলে শিা হয়ে পড়ে সার্টিফিকেট সর্বস্ব। এর মাধ্যমে মানবিকতাবোধে উদ্বুদ্ধ সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ কখনোই সম্ভব নয়। বিষয়টি নিয়ে এ স্কুলের শিক, অভিভাবক এবং পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যসহ সকলেই সচেতন। তাই এ স্কুলে সৃষ্টি করা হয়েছে এমন এক পরিবেশ যাতে শিকরা মমত্ববোধ ও আন্তরিকতার সাথে পাঠদান করেন, আর শিার্থীরা আনন্দের সাথে বেড়ে উঠতে পারে, নিজেদের পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। আমরা আজ অত্যন্ত গর্বের সাথে বলতে পারি, অনুকূল আবহে বেড়ে উঠেছে বলেই এ স্কুলের অনেক শিার্থী দেশে বিদেশে বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে কৃতিত্বের স্বার রাখতে সম হয়েছেন, রেখেছেন দেশপ্রেম ও মানবিকতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। আমরা ভবিষ্যতেও এ ধারা অুন্ন রাখতে চাই।
আমি নিজেকে ধন্যমনে করি প্রাচীনতম এই শিা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হয়ে একই সাথে বিদ্যালয়ের বর্তমান শিকমন্ডলীর জন্যেও এটা অত্যন্ত গৌরবের। সাথে সাথে আমাদের ওপর একটা গুরুদায়িত্বও অর্পিত হচ্ছে। এই স্কুলের গৌরব শিখাকে অনাগতকালের জন্য দেদীপ্যমান রাখতে হবে। আমি আশাবাদী এবং আত্মবিশ্বাসী- শিার্থী অভিভাবক ও শিকমন্ডলীর প্রচেষ্টায় আমরা তা করতে সম হবো।
: প্রাক্তন প্রধান শিকগণের নামের তালিকা:
০১ বাবু রমনী মোহন শর্মা (বি.এ) ১৯৪৮-৫০
০২ বাবু সচীন্দ্র লাল দত্ত (বি.এ বিটি) ১৯৫০-৫১
০৩ বাবু বারীন্দ্র লাল দে (বি.এ বিটি) ১৯৫২-৫৫
০৪ বাবু চন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য (বি.এ বি-এড) ১৯৫৫-৫৭
০৫ বাবু নিকুঞ্জ বিহারী নন্দী (বি.এসসি বিটি) ১৯৫৮-৬৩
০৬ জনাব নুর আহমদ চৌধুরী (বি.এ বি-এড) ১৯৬৪-৯৭
০৭ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (বি.এ বি-এড) ৯/০৮/৯৭-২০০০
০৮ বাবু বাদল কান্তি দাশ (এম.এ বি-এড) ১৪/০৮/২০০০-২০০৬
::::::::::::::::::::::: দিক নির্দেশনা:::::::::::::::::::::::::::::::
১। নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়া
২। প্রত্যাহিক বাড়ির কাজ আদায় করা।
৩। বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট পোষাক পরিধান করত বিদ্যালয়ে আগমন।
৪। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা।
৫। সহপাঠক্রমিক কার্যবলীতে অংশগ্রহণ।
৬। শিকদের উপদেশ মান্য করা।
৭। নৈতিক চরিত্র গঠণে ও দেশ প্রেমে উজ্জীবিত হওয়া।
৮। সামাজিক শৃঙ্খলা।
৯। শ্রেণি কার্যক্রমে মনোযোগী হওয়া।
১০। নিয়মিত পরীায় অংশ গ্রহণ করা।
::::::::::::::::::::::::::ভর্তি তথ্য:::::::::::::::::::::::::::::::::
প্রতি বৎসর ১০ জানুয়ারী মধ্যে চ.ঝ.ঈ/ সমমান পরীায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে ভর্তির আবেদন পত্র আহবান করা হয়। বিদ্যালয় প্রদত্ত নির্দিষ্ট ভর্তি ফরম পূরণ পূর্বক ভর্তি পরীার মাধ্যমে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে শিার্থী ভর্তি করানো হয়। অন্যান্য শ্রেণিতে ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পূর্বে পঠিত বিদ্যালয়ের ছাড়পত্র, প্রশংসা পত্রের ভিত্তিতে যোগ্যতা বিবেচনা পূর্বক ভর্তি হওয়ার সুযোগ থাকে।
ক্রীড়া:::::::::::::::::::::::::::::
উপজেলা কর্তৃক শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন খেলাধূলায় অত্র বিদ্যালয় হতে ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন সময় পুরস্কার প্রাপ্ত হয়েছে।
যোগাযোগ:::::::
প্রতিষ্ঠানের ফোন নম্বর এবং প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল এড্রেস:
মোবাইল নম্বর ঃ ০১৮১২-৬০৫৩২২
ই-মেইল:dhemshahigh@yahoo.com
যোগাযোগ ঠিকানা ঃ ঢেমশা উচ্চ বিদ্যালয়
ডাক- ঢেমশা, পোষ্ট কোড- ৪৩৮৬
উপজেলা- সাতকানিয়া, জেলা- চট্টগ্রাম।
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::সংগ্রহে: মহিউদ্দীন রাজা, উদ্যোক্তা, ইউনিয়ন ইনফরমেশন সার্ভিস সেন্টার, সাতকানিয়া চট্টগ্রাম।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস